শিক্ষাসফরে যাওয়ার জন্য অর্থ ও অনুমতির আবেদন
The Edu Doctor
শিখুন সঠিকভাবে!
এক টাকার ভাংতি দাও। [৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন ২০১০]
A. Give me one taka change.
B. Give me a change for a taka.
C. Give me a taka change.
D. Give me change for a taka.
সঠিক উত্তর : D
এক্ষেত্রে change বাক্যে uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তাই change এর আগে a বসবে না এবং এখানে ভাংতি মানে বিনিময় চাওয়া হয়েছে তাই change এর পরে preposition "for" ব্যবহৃত হবে।
চমক! (শেখা হোক বাস্তবধর্মী)
ভাংতি অর্থে Change (noun)
Could you give me change for a 100 taka note?
(আমাকে ১০০ টাকার ভাংতি দিতে পারবেন কি?)
Have you got change for a 500 taka note?
(আপনার/তোমার কাছে ৫০০ টাকার ভাংতি আছে কি?)
Do you have change for 100 taka?
(তোমার কাছে ১০০ টাকার ভাংতি আছে কি?)
ভাংতি দেয়া অর্থে Change (verb)
Could/Can you change a 500 taka note for 5 hundreds?
(৫০০ টাকার নোটের ভাংতিতে ৫টা ১০০ টাকা দিতে পারবেন কি?)
Can you change a 100 taka note for a fifty, 1 twenty
and three tens?
(১০০ টাকার নোট ভাংতিতে/ভাঙিয়ে ১ টা পঞ্চাশ, ১ টা বিশ এবং তিনটা ১০ টাকার নোট দিতে পারবেন কি?)
Loose/small change ( = coins of low value) = খুচরা পয়সা/খুচরা টাকা।
I always carry a lot of loose/small change on me.
(আমি আমার সাথে প্রচুর খুচরা টাকা রাখি)
Labels: Translation
BSc(Honours)Zoology
Labels: Biology
v ও,এবং,আর মিলে যদি হয় দ্বন্ধ
v সমাহারে দ্বিগু নয় সেটা মন্দ।
v যে,যিনি,তিনি যদি হয় কর্মধারয়
v যাহার বাক্যের শেষে থাকলে তাকে বহুব্রীহি কয়।
v বিভক্তি লোপ পেলে যদি তৎপুরুষ হয়।
v বিভক্তি না লোপ পেলে তাকে অলুক কয়।
v তবে ব্যয়হীন পদটি সব সময় অব্যয়ী হয়।
[ বি.দ্র: 'যে যদি ব্যাসবাক্যেরর মাঝখানে থাকে,তাহলে সেটি 'কর্মধারয়' সমাস হবে।কিন্তু 'যে' যদি ব্যাসবাক্যেরর শেষে থাকে,তাহলে সেটি 'উপপদ তৎপুরুষ' সমাস হবে। যেমন, নীলাকাশ=নীল যে আকাশ (কর্মধারয় সমাস)। পকেটমার= পকেট মারে যে (উপপদ তৎপরুষ সমাস)।
১.দ্বন্দ্ব সমাস : চেনার উপায়- ব্যাসবাক্যে 'ও' 'এবং' 'আর' থাকবে। উভয় পদের অর্থ প্রাধান্য পাবে।
সমীকরণ :সমজাতীয় পদ + ও + সমজাতীয় জাতীয় পদ।
উদাহরণ : মাতা + ও + পিতা= মাতাপিতা
চা + ও + বিস্কুট = চা-বিস্কুট
অহি + ও + নকুল = অহি-নকুল
২.কর্মধারয় : চেনার উপায়: খুব বেশি প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে "যে/যে-সে/যিনি-তিনি/যারা" এই শব্দগুলো থাকবেই।যেমন:'চালাকচতুর' এটি কোন সমাস? 'চালাকচতুর' মানে যে চালাক সে চতুর; তাহলে এখানে 'যে' কথাটি আছে, অতএব এটি কর্মধারয় সমাস।'জজসাহেব' এটি কোন সমাস? 'জজসাহেব' মানে যিনি জজ তিনি সাহেব; তাহলে এখানে যিতি-তিনি কথাটি আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস।
গুরুত্বপূর্ণ আরো কিছু উদাহরণ : নীলাম্বর=নীল যে অম্বর; নীলাকাশ=নীল যে আকাশ;কদাচার= কু যে আচার;সুখবর =সু যে খবর;খাসমহল=খাস যে মহল;হারামণী হারিয়েছে যে মণি;মহাকীর্তি=মহতী যে কীর্তি; কাঁচা-মিঠা=যা কাঁচা তা মিঠা; নরাধম= অধম যে নর;শ্বেতবস্ত্র=শ্বেত যে বস্ত্র; নবান্ন =নব যে অন্ন;
৩. তৎপুরুষ সমাস: সহজে চেনার উপায়: পূর্বপদে দ্বিতীয়া বিভক্তি থেকে শুরু করে সপ্তমী বিভক্তী পর্যন্ত যে কোন একটি থাকবে কিন্তুু সমস্ত পদে সেই বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পাবে। যেমন-
বিপদকে আপন্ন=বিপদাপন্ন ;দুঃখকে প্রাপ্ত =দুঃখপ্রাপ্ত; আয়ের জন্য কর=আয়কর; বিয়ের জন্য পাগলা=বিয়ে পাগলা
রাজারর পুত্র=রাজপুত্র; গুরুকে ভক্তি=গুরুভক্তি;মন দিয়ে গড়া=মনগড়া;
৪. বহুব্রীহি সমাস: চেনার উপায়: যে সমাসে পর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করবে।কিন্তুু আমাদের মনে রাখতে হবে, বহুব্রীহি সমাস ৮ প্রকার। তবে এর মাঝে গুরুত্বপূর্ণ বহুব্রীহি সমাস হলো ব্যতিহার বহুব্রীহি,অলুক বহুব্রীহি ও নঞ্ বহুব্রীহি সমাস।
টেকনিক: ব্যাসবাক্যে বিশেষণ + বিষেশ্য + যে/যার থাকবে
উদাহরণ: নীল + কন্ঠ + যার= নীলকন্ঠ
আশীতে +বিষ +যার = আশীবিষ
একইভাবে,কথা সর্বস্ব যার= কথাসর্বস্ব; নাই তার যার =বেতার; সে(তিন) + তার + যার = সেটার
৫.দ্বিগু সমাস: চেনার উপায়: সে সমাসের প্রথমে থাকবে সংখ্যা এবং শেষে থাকবে সমাহার সেটা হবে দ্বিগু সমাস।যেমন- দ্বিগু শব্দের 'দ্বি' মানে কী? 'দ্বিতীয় 'শব্দতটিতে 'দ্বি' আছে না? আমরা ২ বোঝাতে 'দ্বি'শব্দটি ব্যবহার করি। এখানে ২ কিন্তু একটি সংখ্যা। তাহলে যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে সেটাকে 'দ্বিগু' সমাস বলে ধরে নিবেন।
সমীকরণ : সংখ্যা + বিশেষ্য + এর + সমাহার
উদাহরণ=পঞ্চ(পাঁচ) + নদীর(নদী+এর) + সমাহার = পঞ্চনদ
একইভাবে-চৌ(চার) রাস্তার সমাহার=চৌরাস্তা
চতুরঙ্গ=চার অঙ্গের সমাহার ; শতাব্দী= শত অব্দের সমাহার; পঞ্চভূত= পঞ্চভূতের সমাহার
৬. অব্যয়ীভাব সমাস: চেনার উপায়: অব্যযীভাব সমাসে 'অব্যয়' কথাটি নিহিত। অর্থাৎ, যে সমাসের সমস্ত পদের প্রথমে কোন অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে অব্যযীভাব সমাস বলে।
যেমন- ব্যাসবাক্যে সমীপে,সদৃশ,মতো,পুনঃপুনঃ(পদের দ্বিত্ব),অভাব,পর্যন্ত, অতিক্রম না করে,অতিক্রান্ত,বিরুদ্ধ,যোগ্য, ক্ষুদ্র,পশ্চাৎ,ঈষাৎ,প্রতি অব্যয় থাকবে।
উদাহরণ: কূলের সমীপে= উপকূল; কন্ঠের সমীপে= উপকন্ঠ; বনের সদৃশ= উপবন: ভিক্ষার অভাব= দুর্ভিক্ষ; মরণ পর্যন্ত= আমারণ;গমনের পশ্চাৎ= অনুগমন;ঈষৎ রাজি= নিমরাজি ।
বিস্তারিত |
Labels: somash, বাংলা গ্রামার সামাস, সমাস